কবিতাঃ জিশান রায়





ফেজ ফাইভের রোববার

জানোয়ারের মতো জেদ ধরেছিল বাচ্চাটা। আজ রোববার,মাংস খাবেই। দুমাদুম কানে কপালে বসিয়ে দিয়েছে কেষ্ট। তারপর বউ আটকাতেই হনহন করে বেরিয়ে পড়েছে। এখন রাস্তার ধারে বিড়ি টানতে টানতে বড্ড কষ্ট হচ্ছে। কেনো যে মারল ছেলেটাকেসত্যিই তো কতো রোববার মাংসের নাম গন্ধও নেইরাস্তায় তাকিয়ে তাকিয়ে খামোকায় রাগ হচ্ছিল কেষ্টর। ভাত জোগাড় করাটাই কুরুক্ষেত্র মনে হচ্ছে। এই ঘর বাড়িঝা ঝা গাড়িওর দোকানের মালিক সবার উপর রাগ হচ্ছিল কেস্টর বিড়িটা ও নিভে যাচ্ছিল বারবারতারপর রাগটা হঠাৎ গিয়ে পড়ল পাশের বাড়ীর হরিপদ বাবুর ওপর। শালা বাড়িতে দু দুটো চাকরি ভালোমাংস হচ্ছে তাও ভালো। জানালাটা খুলে রাখার কি মানে হয়...

 

দেজা ভু

স্রেফ বিশ তিরিশ বছরের জন্য তো এই পৃথিবীতে আসি নিআমি ছিলাম থেকেও যাবো। নতুন শহরে পৌঁছে  যখন মনে হয় এই পথ ঘাট চেনা। এভাবেই কোনো একদিন এই রাস্তা ধরে হেঁটে গেছো। এসব নিছক মনের ভুল ভাবার কোনো মানেই হয় না। আসলে ঘটে গেছে,বহুবার ঘটে গেছে নিশ্চিত। কতবার ভেঙে গেছে প্রেম। কতবার তোমার বাবাকে তুলে নিয়ে গেছে পেয়াদাখুব গোপনে কেউ একটু একটু করে ছেঁটে ফেলছে শেকড়। আবছা করে দিচ্ছে চারপাশ। তবু এই যে তুমি দাঁড়িয়ে আছো। ছোট্ট ঘুলঘুলিওপারে দেয়াল। একটা গিরগিটি ব্যস্ততায় সরে পড়ল। এসব আগেও ঘটেছে। ওই যে গান ভেসে আসছে। ওই যে গুলির শব্দ চিৎকার। বিশাল খাল কুঁড়ে লাশ গুলো ফেলে দেয়া হচ্ছে। এসব আগেও ঘটেছে বহুবার। এই যে খুব শান্ত ভাবে বসে আছো। রাত ফুরোলেই ফাঁসির হুকুম তালিম হবে

ছবিঃ অনুষ্টুপ লাই

No comments:

Post a Comment

  একটি   লড়াকু   পত্রিকা সম্পাদকমণ্ডলীঃ   অভিজিৎ   ঘোষ ,  অনির্বাণ সরকার ,  এয়োনিয়ান   অনির্বাণ ,  সুমিত পতি ,  মনোহর   হোসেন   মণ্ডল, কণাদ ...