নাড়িপোতা কথা
দোলাচল ছিল না কখনও―
যাবো জঙ্গল পেরিয়ে ছুঁতে কারুকাজ:
জ্যোৎস্না জোতস্না ধোয়া মন্দির। মাড়ুলিতে দীপটিকা।
শেষ হবার আগে একবার জ্বলে ওঠা...
তোমাকে বুঝতে চাই বনবসত;
একটি ফিঙের কাছে শুনবো কথা:নাড়িপোতা।
আধার কার্ড
আমাকে বলে দাও মাটির কোন গভীরে তোমার তাম্রপাত্র
ওটাই আধার কার্ড ঠিকুজি কুলুজি
কার্ড এখন মিসিং লিঙ্ক।তার ফাইল আলাদা
স্রোত বয়ে গেছে কে শুনবে পলি চাপা কথা
কোনখানে কবচকুণ্ডল
আমি প্রত্নপুরুষ হয়ে খুঁজি খোলাম কুচি
পোড়া শস্যদানা মূদ্রা হাড়গোড়
সব নাকি মমি হয়ে আছে!ফসিল!ফসিল!
মেটে সিঁদুরের দাগ খুঁজি লুকানো ঝাঁপিতে
ওখান থেকেই হেঁটে গেছে সারবন্দি লক্ষ্মীর পা
আলপনা কল্কা এঁকে এঁকে ঢেঁকিশালে
গোয়ালের পাশ দিয়ে যেইখানে ধানের মরাই
লাফিয়ে দাপিয়ে ছোটে পাল পাল আঁধার পূজক
ঘন করবে অন্ধকার
জমাট বাঁধছে নীরব সমর্থক
মা ভৈঃ
শিক্ষাঙ্গনের কচিকাঁচারাই এখন আলোর ইশারা
ওদের চোখের চাউনিতে ঝলসে যাচ্ছে আঁধারের পোকামাকড়
ওরাই দেশের আধার কার্ড...
বোকা
দুধপোড়া সসপ্যান নিয়ে যতখানি কাতরতা
দিতে যদি আমাকেও বিন্দুমাত্র তার
দিকে দিকে বেজে উঠতো বসন্ত বাহার
সেজে উঠতো চারপাশ স্বপ্নে আঁকা রঙে
ফুলের পাপড়িগুলি ছিঁড়ে একে একে
ফিরেও দেখনি তা অপাঙ্গ নজরে
কতখানি রক্তপাত অশ্রুর মহিমা
পথের ধুলোয় নাচে গোপন গরিমা
বস্তুত ফুল নয় সসপ্যান অবশ্য আপন
দুধ নাচে মেলে ধরে চায়ের সৌন্দর্য
সেখানে নষ্ট মানুষ যদি কষ্ট পায় একা একা
অস্ফুট উচ্চারণে বলো একেবারে বো-কা!
ছবিঃ প্রমিতা দত্ত

No comments:
Post a Comment